Whitening teeth

hemelmub(37)
Published in
#new
Words
1476
Reading
7 min
Listen
Play
9y

চা সিগারেটে কিংবা অন্য কারনে দাগ পড়েছে দাঁতে, মাত্র ৩ মিনিটে করে ফেলুন ঝকঝকে দাঁত, ১০০ % কার্যকরী



চা সিগারেটে – দাঁত হলুদ হওয়ার কারণে বিব্রত হতে হয় আমাদের অনেককেই। সমাজে মেলামেশার সময়ে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় দাঁতের এই হলদেটে দাগ। নানা কারণে দাঁতে এই হলুদ দাগ দেখা দিতে পারে। দাঁতের অযত্ন, তামাক সেবন, নিয়মিত ওষুধ সেবন, পান মশলা কিংবা মদ্যপানের কারণে চলে যেতে পারে দাঁতের স্বাভাবিক শুভ্রতা। যাঁরা দাঁত হলুদ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন তারা নানা উপায়ে দাঁতের স্বাভাবিক শুভ্রতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। নানা ধরনের টুথপেস্ট, পাউডার, ফ্লস— অনেক রকমের কৌশল তাঁরা এজন্য প্রয়োগ করে থাকেন। কিন্তু কোনোটাতেই খুব সুফল মেলে না। সেক্ষেত্রে তাঁরা খোঁজেন এমন কোনও উপায় যা নিশ্চিতভাবে এবং দ্রুত হলুদ দাঁতকে সাদা করে তুলতে পারে। সত্যি কি সেরকম কোনও উপায় রয়েছে? আশার কথা, রয়েছে তেমন উপায়। এবং এই উপায়ে মাত্র ৩ মিনিটে হলুদ দাঁত হয়ে উঠবে ঝকঝকে সাদা।

এই কৌশলকে কার্যকর করতে গেলে লাগবে মাত্র দু’টি সাধারণ ঘরোয়া জিনিস। প্রথমটি বেকিং সোডা, এবং দ্বিতীয়টি পাতি লেবুর রস। এবার জেনে নিন কী করতে হবে। একটি পাত্রে এক চা চামচ বেকিং সোডা নিন। এবার তাতে মিশিয়ে দিন অর্ধেক করে কাটা একটি পাতি লেবুর রস। এবার চামচে করে মিশিয়ে নিন দু’টি উপাদান। দেখবেন, মিশ্রণটি প্রাথমিকভাবে ফেনা ফেনা আকার ধারণ করছে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই দেখবেন মিশ্রণটির আকার হয়েছে একটি ঘন তরলের মতো। এবার এই তরল আঙুলে করে তুলে দাঁতের উপরে লাগিয়ে দিন। মনে রাখবেন, দাঁত মাজার মতো করে দাঁতে মিশ্রণটি ঘষার প্রয়োজন নেই কোনো। মিশ্রণটি শুধু লাগিয়ে রাখুন দাঁতের উপরে। তিন মিনিট পরে কুলকুচি করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এবার তাকান আয়নার দিকে। দেখবেন,

আপনার হলুদ দাঁত সাদা হয়ে গেছে।

দাঁত সাদা করার এটি একটি পরীক্ষিত ঘরোয়া টোটকা। দাঁতের বা মুখের কোনো ক্ষতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা এতে নেই। আর এই কৌশলের কার্যকারিতা কতখানি, তা নিজেই যাচাই করে একবার দেখে নিন না!

ডেন্টিস্টের সাহায্য ছাড়াই দাঁত ঝকঝকে সাদা করার ১০টি ঘরোয়া উপায়

ডেন্টিস্টের সাহায্য ছাড়াই দাঁত ঝকঝকে সাদা – দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা না বুঝলে পরে বিপদে পড়তে হয় – এইকথা সবাই জানে। দাঁত সুস্থ, সবল, পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল করতে প্রত্যেকের কিছু করণীয় আছে। শুধু শুধু ডেন্টিস্টের পিছনে অর্থ ব্যয় না করে ঘরেই পাওয়া সম্ভব পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল দাঁত।

ডেন্টিস্টের কাছে না গিয়েও নিজের বাসাতেই প্রাকৃতিক পদ্ধতি ব্যবহার করে উজ্জ্বল এবং পরিষ্কার দাঁত পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নিই ১০ টি পদ্ধতি।

১.বেকিং সোডাঃ

দাঁত পরিষ্কার করতে বেকিং সোডার তুলনা নেই। বাটিতে আধা চা চামচ টুথপেস্টের সাথে বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। মিশ্রনটি টুথব্রাশে লাগিয়ে ব্রাশ করলেই দাঁত ঝকঝকে হয়ে যাবে। আর দেরী কেন? পরিষ্কার সাদা দাঁত পেতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করুন।

২.ইলেক্ট্রিক টুথব্রাশঃ

ঝকঝকে সাদা দাঁত পেতে সবচেয়ে সহজ উপায়ের একটি হচ্ছে ইলেক্ট্রিক টুথব্রাশ ব্যবহার করা। দাঁতের বিবর্ণ অংশ এনামেল দূর করতে এই পদ্ধতি ব্যবহার সবচেয়ে ফলপ্রসু।

৩.খাবার গ্রহণের পর ব্রাশ করাঃ

প্রতিবার খাবার গ্রহণের পর দাঁত ব্রাশ করলে দাঁত রোগমুক্ত এবং ঝকঝকে থাকে।

৪.লেবুঃ

লেবুর রস দাঁতে লাগালে এনামেল দূর হয়ে দাঁত ঝকঝকে সাদা হয়। অনেকে অবশ্য লেবুর রস এবং লবণ মিক্সড করে ব্যবহার করে।

৫.পারঅক্সাইডঃ

জানেন কি?

আপনার দাঁতের অবস্থা দেখে অর্থভাগ্য জেনে নিন!

১ লাখ ১০ হাজার বছর পূর্বের দাঁত আবিষ্কৃত!

দাঁতের রঙ ময়লা হওয়ার অন্যতম কারণ খাদ্যকণা ও জীবাণু। খাবারের কালশিটে দাগ ও জীবানুমুক্ত করার জন্য দাঁত ব্রাশ করার পর পারঅক্সাইড দিয়ে কুলি করুন। তাতে দাঁত ঝকঝকে সাদা হয়ে যাবে।

৬.আপেলঃ

প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় আপেল রাখুন। সামনের অংশের দাঁত দিয়ে আপেলে কামড় দিন, এতে ময়লা দূর হয়ে ঝকঝকে উজ্জ্বল দাঁত পেয়ে যাবেন।

৭.পানিঃ

প্রতিবার খাবার গ্রহণের দাঁতে লেগে থাকা অবশিষ্টাংশ খাদ্য সরাতে পানি দিয়ে কুলি করুন। দাঁতের মার্জনের বিকল্প হিসেবে কাজ করে পানি।

৮.স্ট্রবেরিঃ

দাঁত মজবুত ও চকচকে রাখতে স্ট্রবেরি খাওয়া উচিত। দাঁতের হোয়াটনেস বা ব্লাশার হিসাবে কাজ করে স্ট্রবেরি। যদিও কিছুটা ব্যয়সাপেক্ষ এই পদ্ধতি কিন্তু এটা মনে রাখুন দাঁত ক্ষয় করে ডেন্টিস্টের চিকিৎসা গ্রহন করার চেয়ে এটি সহজলভ্য।

৯.পনিরঃ

দাঁতের ক্ষয়রোধের প্রধান খনিজ উপাদাণ হলো ক্যালসিয়াম। পনিরে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে। দাঁতের সুস্থ্যতা রক্ষায় পনির বিশেষ করে শক্ত পনির গ্রহণ করুন।

১০.পেঁয়াজঃ

পেঁয়াজ খেয়ে মুখে দূর্গন্ধ হয় ঠিকই কিন্তু দাঁত পরিষ্কারে পেঁয়াজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দাঁতের এনামেল দূর করে দাঁত ঝকঝকে পরিষ্কার করতে পেঁয়াজ গ্রহণ করুন।

জিভের রঙ দেখে কি করে বুঝবেন , আপনি কোন রোগে আক্রান্ত ?

জিভের রঙ দেখে – শরীর খারাপ হলে চিকিত্‍সকরা রোগীর জিভটা দেখেন। তার রঙ ও আকার দেখে শারীরিক সমস্যার কথা জানেন। কয়েক শতাব্দী পুরনো এই পন্থা আসলে চীনাদের চিকিৎসা পদ্ধতির অঙ্গ ছিল। আপনারাও বাড়িতে বসেই শরীরে কোথায় সমস্যা তা জানতে পারেন নিজেদের জিভ দেখেই।

১) জিভের ওপর পাতলা সাদা আবরণ : জিভ মূলত আমাদের পরিপাকতন্ত্রের খবরাখবর জানায়। কারণ জিভ থেকেই এই তন্ত্রে শুরু। জিভের ওপর যদি পাতলা সাদা একটি আস্তরণ থাকে, তা হলে বুঝবেন হজমে কোনও সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্র ঠিকমতো কাজ করছে।

২) মোটা সাদা আস্তরণ : এটা শরীর খারাপের সংকেত। এটা হলে বুঝবেন শরীরে কোথাও চোট রয়েছে অথবা ভেতরে ভেতর শরীর খারাপ হচ্ছে। শরীরে কোনও একটি অংশ ঠিক মতো কাজ করছে না।

৩) হলুদ আস্তরণ : মূলত জ্বর হলে জিভের ওপর হলুদ আস্তরণ পড়ে। দেহের তাপমাত্রা অনেক কারণে বাড়তে পারে। সেটা ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে, শরীরের কোনও অংশ ফুলে গিয়ে থাকতে পারে।

৪) উপরিভাগে লাল চাকা-চাকা চামড়া উঠে যাওয়া: এর অর্থ শরীরে এনার্জি বলতে কিছুই অবশিষ্ট নেই। কোনও অ্যালার্জির কারণেও এমনটা হতে পারে। চর্মরোগ, র‌্যাশ প্রভৃতি রোগের লক্ষণ হতে পারে। সুস্থ শরীরে জিভের স্বাভাবিক রং হাল্কা গোলাপি। এর অর্থ আপনার শরীরে বিশেষ কোনও সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্রও ঠিকমতো কাজ করছে।

এ বার দেখে নিন জিভের রং কী রকম হলে শরীরে কোথায় সমস্যা দেখা যায়।

১) ফ্যাকাশে : জিভের রং যদি ফ্যাকাশে হয়ে যায় বুঝতে হবে হজম ঠিক মতো হচ্ছে না। ভেতরে ভেতরে ঠান্ডা লেগে রয়েছে। এর সঙ্গে যদি জিভ বার বার শুকিয়ে যায়, তা হলে তা অ্যানিমিয়ার লক্ষণ হতে পারে। তার সঙ্গে ইনসমনিয়া, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া প্রভৃতি রোগের লক্ষণ হতে পারে।

২) উজ্জ্বল লাল রং : এ রকম রং দেখলে বুঝবেন শরীরে কোথাও ইনফেকশন রয়েছে। প্রথমে জিভের ডগার দিকটাই লাল থাকবে। পরে তা পুরো জিভে ছড়িয়ে পড়বে।

৩) জিভের পাশে লাল রং : খুব মশলাযুক্ত খাবার খেলে, প্রতুর ফ্যাট জাতীয় এবং অ্যালকোহলের মাত্রা শরীরে বেশি হলে এমন রং হয়। কোষ্ঠকাঠিণ্যের মতো সংস্যা থাকলেও জিভের রং এমন হয়।

৪) নীল রং : শরীরে অক্সিজেনের অভাব হলে জিভের রং পাল্টে গিয়ে নীল বর্ণ হতে থাকে। ডাক্তারি ভাষায় একে সায়ানোসিস বলে। যদি এমনটা দেখেন অবিলম্বে চিকিত্‍সকের কাছে যান। রক্তে সমস্যা, হৃদযন্ত্রের সমস্যার মতো রোগ থাকতে পারে। তাই দেরি করা ঠিক নয়।

৫) কালো রং: সাধারণ কারও কারও জন্ম থেকেই এ রকম রং থাকতে পারে। তবে যদি হঠাত্‍ কালো রং দেখেন তা হলে বুঝবেন এক সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ব্যাক্টেরিয়া জমা হয়েছে জিভে। তবে শুরু থেকেই এমনটা হবে না, প্রথমে হলুদ, তার পরে ব্রাউন, তার পর কালো রং হবে।

৬) হলুদ রং : জিভের রং সাধারণ এমন হয় না। যখন হবে, তখন বুঝবেন লিবারে বড় সংস্যা রয়েছে। সম্ভবত জন্ডিস হয়ে গিয়েছে। দেরি না করে ডাক্তারের পরাম৪শ নিন।

৭) পার্পল রং : দীর্ঘ দিন ধরে শরীরে কোনও সমস্যা থাকলে জিভের রং পার্পল হতে শুরু করেন। এটার অর্থ শরীরে ভিটামিন B-এর ভীষণ ঘাটতি রয়েছে। মনে রাখবেন, শরীরে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল জিভ। তবে আমরা অনেকেই এর খেয়াল রাখি না। প্রতিদিন জিভ পরিষ্কার রাখলে অনেক রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। রোজ সকালে দাঁত মাজার সময়ই জিভ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। সুস্থ থাকবেন।

মধুতে আমলকি ভিজিয়ে খেলে কী হয় ? জেনে নিন, সত্যিই অবাক হয়ে যাবেন

মধুতে আমলকি ভিজিয়ে খেলে কী হয় – আমলকির গুণের কথা আমরা অনেকেই জানি। আমলকি ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে, রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে, স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। মধুরও রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যকর গুণ। মধুর মধ্যে আমলকি মিশিয়ে খেলে, এটি আরো অনেক উপকারী হয়ে উঠে। এতে আমলকির স্বাদও বেড়ে যায়। মধু ও আমলকি একসাথে খেলে খাদ্যগুণগুলোও একসাথে পাওয়া যায়। জীবনযাত্রাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে আমলকি ও মুধ একসঙ্গে খেলে কী উপকার হয়, সেই কথা।

লিভার ভালো রাখে

মধু ও আমলকি একসাথে খেলে লিভারের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এটি লিভার থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। এটি লিভারের কার্যক্ষমতা ভালো করতে সাহায্য করে।

বার্ধক্যের চিহ্ন প্রতিরোধ করে

মধুর মধ্যে আমলকি মিশিয়ে খেলে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার গতিকে ধীর করে। এই উপকার পেতে মিশ্রণটি প্রতিদিন এক চা চামচ করে খেতে হবে। এটি বলিরেখা দূর করতেও সাহায্য করে।

অ্যাজমা প্রতিরোধ করে

মধুর মধ্যে আমলকি ভিজিয়ে খেলে অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস এবং অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা অনেকটাই কমে। এরমধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এটি ফুসফুস থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে এবং ফ্রি রেডিকেলস দূর করতে সাহায্য করে। এটি ফুসফুসের নালীকে সরু করে দেয় এবং অ্যাজমার আক্রমণ প্রতিরোধ করে।কফ, ঠান্ড প্রতিরোধ করে

কফ, ঠান্ডা এবং গলার সংক্রমণ প্রতিরোধে এই মিশ্রণ বেশ সাহায্য করে। ঠাণ্ডার সময় এক টেবিল চামচ আমলকি ও মধুর মিশ্রণ খেলে আরাম পাওয়া যায়। এর সাথে একটু আদার রস মেশাতে পারেন। আমলকি ও মধু গলার সংক্রমণের সাথে লড়াই করে।

হজমের সমস্যা সমাধানে

এসিডিটি আর হজমের সমস্যা সমাধানে আমলকি ও মধু খুব ভালো উপাদান। এটি খাবার ভালোভাবে হজমে সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে

আমলকি ও মধুর মিশ্রণ শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে এই মিশ্রণ খেলে অন্ত্র ও রক্তের বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়।

কীভাবে তৈরি করবেন

একটি মাঝারি আকৃতির বয়ামে অর্ধেক পরিমাণ মধু নিন। এর মধ্যে কয়েকটি আমলকি দিন। বয়ামের মুখ বন্ধ করে দিন। কিছুদিন পর দেখবেন আমলকি নরম হয়ে গেছে। এটি অনেকটা জ্যামের মতো হয়ে যাবে। মিশ্রণটি প্রতিদিন সকালে খেতে পারেন। তবে যেকোনো খাবার নিয়মিত খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

Whitening teeth | Ecency