আপনার চোখে মৃত্যু দেখা মানুষের বিষাদ বলতে কিছু নাই, সবই মরীচিকা।
আমার শহরের বোকা কাকটা দেখেছিস? ওর কোনো অভিযোগ নাই, আমার ও। খাচায় বন্দী থাকা পাখিটার আর উড়াল দেবার বিন্দুমাত্র সাধ নাই,অনুরোধ আছে,ডানাটা কাটতে হবে তবে দেখো সেই জো নাই। অদ্ভুত, তাই না?
তবে আমার মুক্তি চাই,পার্থিব এই জীবনে মায়ার টান বলতে কিছু অনুভব করা অনেক আগেই ভুলে গেছি,বলতে পারবি কিসের তরে তবে এত প্রেম,কিসের জন্য এতো আয়োজন, কই কেউ তহ কথা রাখেনি! শূন্যতার বিশালতা মাপার স্পর্ধা অহেতুক জানিস?
চোখের দিকে তাকাতেই এই কথাগুলো বাতাসে ভাসতে লাগলো, বন্ধুর মন ভালো কিনা জানার সাহস আর মিলে না! হয়তোবা আমি নিজেই জানতে চাচ্ছি না! তার প্রতি মায়ার বাধন এর গিট বোধহয় খুলে গেছে,আর কতো? তারপরও খুজি তারে ক্ষীণ আলোর মাঝে রংধনুর বাকে ঘেরা এক সাঝে! এই বিষাদগ্রস্ত মন বার বার তার কাছে ফিরে যেতে চাইছে কিন্তু এইবারে আর ফিরে যাওয়া যাবে না। মোড়ের মাথায় শুরু হওয়া গল্পটার শেষ বোধ হয় এবার হয়েই গেলো।
অভিলাষী প্রাণ, ভরা দিঘির জলে আটকে যাওয়া মাঘী পূর্নিমা তোমার জন্য না, শরৎ এর কাশবনের এলোমেলো মেঘ তোমার তরে না, বসন্তের বাহারী ফুল পাতা তোমার অপেক্ষায় দিন গুনে না, কুসুমের মধু তোমার জন্য না!
শুনলাম বসন্ত আসছে সুখ কি আসছে?
Note:(The photo i used in this post is downloaded from Google.)