আজ ২৫ তারিখ সুন্দর রোদ্দুর উজ্জ্বল একটি দওন ছিল। স্বভাবতই পরিবেশ এর পরিবর্তন এর কারনে সামান্য ভুগান্তি পোহাতে হচ্ছে আপমর জনগনকে। যাই হোক মুল গল্পে ফেরা যাক আজকের গল্পটা ১৭৮২ সালের ছেট্ট বালক চয়ন কে নিয়ে। source
বাংলাহ, ভারত, পাকিস্তান তখন এক নামে ভারতবর্ষ নামে পরিচিত ছিল।সে যুগে যে ধনী ছিল তার টাকার অভাব ছিল না আর যে গরিব ছিল তার নুন আনতে পান্তা পোহাত। চয়ন নামে ফটফুটে এক বালকের জম হয় এক গরিব পরিবারে ছেলে সন্তান জন্ম নেওয়ায় বাবা নুধু ছিল প্রচন্ড খুশি। ছোট বেলা থেকেই চয়ন ছিল অসাধারন প্রতিভাবান।
বিদ্যা এবং বিদ্যান ব্যক্তি যে সবখানেই সমাদৃত তা সঠিক বটে তবে, সেকালে বিদ্য অর্জন ছিল বড়লোকের করবার। দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে দু মুঠো খাবারের আশায় নিধু ও তার বাবা ট্রেনে চেপে পড়ল। ঋিক ঋিক করে ট্রেন চলছে যাত্রা বহুদূর মাঋে ট্রেন স্টেশনে থামছে। সাত বছরের চয়ন ট্রেনে কিভাবে চলে তা দেখার জন্য কৌতুহল বসত নেমে পড়ল।অন্যদিকে নিধুরাম এর ঘুমে চোখ লেগেগিয়েছিল। ট্রেন চলু হল চয়ন দড়িয়ে লক্ষ করতে লাগল কিভাবে চলছে এবং কিছু সময় পর দৌড়ে ট্রেনে উঠার চেষ্টা করল কিন্তু বাষ্পীয় ইন্জ্ঞিনের এা গাড়ি যে ততখনে দ্রুতপ্রস্থান শুরু করেছে।ট্রেনে আর চড়া হল না চয়নের স্টেশন এ বসে কান্না করছিল চয়ন। কিন্তু ইংরেজদের কাছে অবহেলিত এ বাংঙ্গালির চোখের পানি দেখার সময় তাদের নেই। এভাবে দিন কেটে গেল চয়নের। নিধিরাম ঘিম ভেঙ্গে ছেলে কে না দেখতে পেয়ে পাগলের মত খোঁজা খুজি করতে লাগল। সারাদিন না খেয়ে যখন চয়নের ক্ষুধার যন্ত্রণায় কাতর তখন এক কাবুলিওয়ালার দেখা মিলল। কাবুলি ওয়ালা চয়ন কে খাবার দিল। তার পর সাথে করে নিয়ে গেল। এবং চয়ন কে পাচার করে দিল মধ্যে প্রাচ্যে উটের জকি হিসেবে।অসহায় বাবার দিন কাটতে থাকে এ স্টেশন থেকে অন্য স্টেশন এ ছেলের খোঁজ এ খোঁজ। এভাবে খুজতে খুজতে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে এই বাবা। ছেলে আর স্বামীর পথ চেয়ে দিন কাটে চয়নের মা এর। আর প্রচন্ড রোদে উটের পিঠে হাত পা বাধা মুখে বাঁশি নিয়ে চয়নে চোখে বাড়ি ফেরার সপ্ন।
(সংক্ষিপ্ত)
Who am I?
My nme is Faysal. I am citizen of Bangladesh . I am aslo a photographer . I love travelers very much and love to serve them.Anyone can contact me
you can contact me on discord user nme Hive account@faysal72#4722