কল্পনা কে বাস্তবেে রূপদান করা দুই ভাই অলিভর রাইট এবং উইলভর রাইট। গোটা বিশ্ব যখন দুই চাকার সাইকেল এবং রেল গাড়ির উপর নির্ভশীল,ঠিক তখনই বাইসাইকেল বিক্রেতা বনে গেলেন পাইলট তো চলুন আজ বিজ্ঞানেে এই তাক লাগানো আবিষ্কার সম্পর্কে কিছু জ্ঞান কুড়ানো যাক। source
আঠারেশ শতাব্দীর মানুষের মধ্য কতিপয় দু থেকে একজন বিজ্ঞানী ব্যতীত সকল বিজ্ঞানীই এ ধরনের চিন্তা ভাবনা করতেন যে মানুষ কোনদিন ও আাকাশে উড়তে পারবে না। তবে অসম্ভব শব্দ কে বিশ্বাস করেন না এরকম দুই ভাই যারা পৃথিবীতে আঠারোশ শতকের শেষের দিকে জন্ম গ্রহন করেন।শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিপ্লোমা ফেল এই দুই ভাই একটি বাইসাইকেল মেরামত এর গেরেজ এ খুলে কাজ শুরু করেন। তবে সপ্ন তাদের আকাশ জয় এর।
উনবিংশ শতাব্দীতে SPL স্যামুয়েল পিউরিপল লিংকলি কে USA ৮৫ হাজার ডলার আকাশযান বানানোর জন্য দান করেন। আমরা অনেকেই এই নামের সাথে পরিচিত নই, তবে স্যামুয়েল ছিল অতন্ত্য চতুর একজন ব্যক্তি জিনি হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে পড়াশুনা সমাপ্তি করেছিলেন। তো রাইট ব্রাদার্স ও আকাশ যান বানানোর জন্য গবেষণা করছিল স্যামুয়েলস ও। রাইট ব্রাদার্স কর্মে বিশ্বাসী ছিল তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা কে কাজে লাগাতে মরিয়া হয়ে লেগেছিল।
১৮৯৯ সালে এই দুই ভাই প্যারাগ্লাইডিং শুরু করে এবং বাতাসের চাপ এবং কিভাবে এতে ভেসে থাকা যায় এ নিয়ে পড়াশুনা ও গবেষণা চালানো শুরু করেন। এবং প্রথম তিন অক্ষের নিয়ন্ত্রণ উদ্ভবন করেন বিমান কে কিভাবে আকাশে নিয়ন্ত্রণ করা যায় সেটা তারা উদ্ভব এর পরে বিমান কে আকাশে উড়ানোর চিন্তায় তারা ব্যাস্ত হয়ে পড়ে।
অন্যদিকে স্যামুয়েলস বিমান উড়ানোর জন্য একটি ভারী মেশিন তৈরী করে ফেলে বিমান উড়ানোর জন্য কিন্ত অতিরিক্ত ভার হওয়ায় বিমান এর উপরে ওঠা কষ্ট সাধ্য ও অসম্ভব হয়ে পড়ে। রাইট ব্রাদার্স তখন নিজেদের প্রচেষ্টায় তৈরি করে ফেলে হালকা পাতলা বিমান ইঞ্জিন। স্যামুয়েলস যখন তার মেশিন হালকা করা যায় কিভাবে এই চিন্তায় মশগুল ঠিক তখনি রাইটব্রাদার্স এর চমক অলিভার রাইট ১২ সেকেন্ড আকাশে অবস্থান করে বিশ্বের এবং পরবর্তী বার উইলভার রাইট ৫৯ সেকেন্ড আকাশে অবস্থান করে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও কর্মদ্বারা মানুষকে অবাক করে দেন।১৯০৫ সালে রাইটব্রাদার্সকে কটাক্ষ করে আর্টিকেল ছাপা হয় ইতালিতে যার নাম ছিল "Tyres are layers"কিন্তু সকল কটাক্ষর জবাব দিলেন রাইটব্রাদার্স তাদের কর্মের মাধ্যমে।বিশ্বের ইতিহাস এ বিমান আবিষ্কারক হিসেবে নিজেদের নাম লিপিবদ্ধ করলেন।তাদের এ অবদান বর্তমান বিশ্বকে নিশ্বন্দেহে এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে।
পরিশেষে কথা হলঃ-
জন্ম হোক যথাতথা কর্মহোক ভাল।
Who am I?
My nme is Faysal. I am citizen of Bangladesh . I am aslo a photographer . I love travelers very much and love to serve them.Anyone can contact me
you can contact me on discord user nme @faysal72#4722