হাতের পাঁচটি আঙ্গুল যদিও সমান নয় তবে, পাঁচটি আঙুল এর ই যথাযথ মূল্য রয়েছে। এখানে প্রতিটি আঙ্গুল এর ভিন্ন ভিন্ন নাম থাকলেও তাদের কর্ম কিন্তু একই।source
ইতিহাস
2011 বিশ্বকাপ রানীর দেশের রাজকুমারদের বিপক্ষে বাঘের লড়াই। হ্যা এটা অবশ্য বোমা বারুদের লড়াই ছিল না তবে হ্যা এখানে ব্যাট এবং বলের লড়াইয়ে কেউ কাউকে এক চুল ছাড় দিতে রাজি নহে।< hr>শুরু টা ভাল ছিল ইংলিশদের আর্জন ছিল। তবে ৬৮ রানের মধ্য ৩ টি উইকেট তুলে নেওয়ায় চাপে পড়ে যায় রানীর দেশের সৈন্যরা। কথায় আছে পুরাতন চাল ভাতে বলে,জন টেরট ও ইকন মরগান দুই যোদ্ধা যখন অস্ত্র হাতে এত সহজে কি তাদের ঘায়েল করা সম্ভব!দুজনেই হাকালেন ৫০ কিন্তু বাংলার সৈন্য যে ততক্ষনে নিজের হাতিয়ার ধারিয়ে ফেলেছে প্রথম আঘাত নাইমের এবং দ্বিতীয় আঘাত সাকিবের সাজ ঘরে ফিরলেন মরগান ও টেরট এরপর আর বেশি সময় লড়াই করে নি ইংলিশরা ২২৫ রানেই সমাপ্ত।ইংলিশদের ধারনা ছিল চোখে চোখ রেখে কথা বলা ই বাঙালি হয়ত ২০০ ই করতে পারবে না। কিন্তু সব ধারনা যে সব সময় সত্য হয় না তা ই বা কে জানত। সাকিবের ৩৬ ইমরুল কায়েস এর ৬০ এবং তমিমের ৩২ অভিজ্ঞ ক্রিকেট যোদ্ধারা তখন সাজ ঘরে। জয়ের লক্ষ টা তখন ও অনেক হাতে তখন উইকেট সংখ্যা দুই। জীর্ন দেহ কিন্তু অদম্য বল নিয়ে বাংলার দেবদূত হয়ে তখন ব্যাট করতে আসলেন সফিউল ইসলাম। পেশায় সে কিন্তু বলিং ব্যাটিং করা সম্পর্কে তার ধারনা কম। কি আর করা দেশের দুর্দিনে সে সঙ্গ দিলেন মাহমুদ উল্লাহর কিন্তু দেশের ১৬ কোটি মানুষের চোখ সফিউল এর দিকে, সাকিবের রান তামিমের রান বা কায়েস এর রান কারো কিন্তু মনে নেই। এবং ভরসার পূর্ন প্রতিদিন দিতে ভুল করলেন না এই বাঙ্গালি ম্যাচ জিতিয়ে ইংলিশ দের ধারনা কে ভুল প্রমানিত করে, তবেই মাঠ ছাড়লেন। কন্ফারেন্স এর সময় সাকিবে প্রশ্ন ছিল ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ সম্পর্কে কিছু বলুন। সাকিব বলছিল ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ যদি বলতে হয় তবে সেটা সফিউল কার তার করা কিছু রান ম্যাচের দৃশ্য পাল্টে দিয়েছে। প্রতিটি কাজেই ছোট থেকে বড় সকলেই মূল্যবান। বিল্ডিং তৈরী করায় ইন্জিনিয়ার থেকে শুরু করে ইট বওয়া শ্রমিক টি ও যথার্থ মূল্যবান।পাঁচটি আঙ্গুল ছাড়া যেমন হাত অসম্পূর্ণ তেমন সকল পেশার মানুষ ছাড়া একাটা পৃথিবী অসম্পূর্।
ধন্যবাদ সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা রইল।
পঞ্চভুত | Ecency
A lively Spirit among the Charming Souls : Introduction postanaya10 ·