সুপ্রভত আশা করছি সাবাই ভাল আছেন।যেহেতু বাঙালি বাংলায় লেখা বা বলা টাই সবচেয়ে মধুর বলে মনে হয় আমার কাছে।
আজ থেকে ৮ বছর পূর্বে নিত্যান্ত একটি জরুরী প্রয়োজন একটি জরুরি দরকারে আলোর শহর ঢাকায় যাওয়া লাগল।কাজ শেষ করে গোপালগঞ্জে পৌছুতে পৌছুতে রাত তখন ১ টা ১৭।সামনে ৪-৫ কিলোমিটার নির্জন সম্পূর্ণ জন মানব হীন রাস্তা।
"প্রয়োজন নিয়ম মানে না" তো যথারীতি শরীরের রক্ত গরম হওয়াতে কোন কিছু তোয়াক্কা না করে শুর করলাম যাত্রা পায়ে হেটে।চাদের আালোয় চারপাশ আবছা আবছা দেখা যাচ্ছে কিন্তু হঠাৎ হঠাৎ করে শিয়ালের ডাক এর কারনে মনে একটু তো ভয় জাগাচ্ছিল।আমার মনের যে সামন্য ভয় ছিল এটা কিছুটা বেড়ে গলে শুভ্রত দাদা দের বাড়ির সামনে এসে।
যখন একবারে সামনে চলে এসেছি সেই আবছা আলোর সাদা চলমান বস্তুর কাছে তখন যা দেখলাম সেটা দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না।হঠাৎ আগুনের ফুলকি ভয়ে আমার চোখ বেরিয়ে যাবে আর বুক থেকো হৃদপিন্ড টা বেরিয়ে পড়ার মত অবস্থা।
একবারে কাছে যখন চলে আসলাম একটি বৃদ্ধ একহাতে একটি বদনা এবং এক হাতে একটি বিড়ি নিয়ে বাথরুম এর সামনে দিয়ে হাটছে।সাদা ধুতি পরিহিত থাকায় দুর থেকে ভুত বলে ই মনে হচ্ছিল।তো বুঋতে পারলাম, এটা আমাদের সংকর দাদা তো যথারীতি জিজ্ঞেস করে ফেললাম যে দাদা এই রাতে বিড়ি হাতে পাইচারি করছ কেন.?
তাহার উত্তর টা এমন ছিল যে বাথরুম এ যাওয়ার আগে বিড়ি না খেলে নাকি পায়খানা ক্লিয়ার হয় না।হায়রে মানুষ!কোনটা খেলে কি হয় এটা হয়ত একজন রোগী আর ডাক্তার ই ভাল বলতে পারবেন।অবশেষে আমার সংশয় শেষ হল এবং মনের আনন্দে বাসায় গেলাম কিন্তু সেদিনের পাওয়া সেই ভয় আজ মনে করি যখন ওই রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরি।
ধন্যবাদ সকলেকে।