১৯৮১ রাস্তা ঘাট এর বেহাল দশা, স্কুল ও কলেজের অবস্থা ও তেমনই শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আগ্রহ ছিল নিতন্ত্যই দরুন।মাঋিগাতি গ্রাম এই গ্রাম এরই দুই বন্ধু সুমন ও রাজু।রাজু পড়া শোনায় তেমন মনযোগী নয় কিন্তু সুমন এর দিন কাটতো বই এর পাতায় পাতায় চোখ রেখে।মাধ্যমিক এ ফেল করল রাজু, সুমন বরাবর এর মত ফাস্ট ক্লাস পেল।
রাজুর লেখা পড়া শেষ, অন্যদিকে সুমন তখন ভাল একটি চকুরি পেল।রাজুর দিন গুলো ভালই কাটছিল দু বছর পর হঠাৎ তার মা এর অসুখ করল।ডাক্তার বলল তোমার মাকে ঢাকার শহর নিয়ে যাও।রাজুর মাথায় তখন একটাই নাম আসলে সে হল ১৫ টি বছর এক সাথে দুই ক্রোশ হাটা পথ চলার সংঙ্গী সুমন এর নাম।কোন রকম সুমন এর বাড়ির ঠিকানা জোগাড় করে রওনা হল ঢাকায়।ঢাকায় এসে দেখল সুমন এখন অনেক টাকার মালিক,অনেক বড় বাড়িতে থাকে।বাড়ির ভিতরে ঢোকার অনেক প্রচেষ্টায় ব্যার্থ হল রাজু।চেনা মানুষ যে হঠাৎ ই তার অচেনা রূপ দেখাতে পারে এ ব্যপারে তার জানাছিল না।রাজুর মা পৃথিবী ত্যা করল। রাজুর মনে আঘাত পেল খুব।ঠিক ষোল বছর পর রাজু এবং সুমনের দেখা।রাজু এখন আর গ্রামের উদাসীন রাজু নয় কার্ডিওলোজিস্ট ডঃ রাজু আহমেদ ঢাকা পিজির ভার প্রাপ্ত পরিচালক।সুমন এখানে তার মা এর অপারেশন করতে এসেছে।কথায় আছে মানুষের জীবন নাকি মেঘের মত ক্ষনে ক্ষনে রং বদলায়।মানুষের যখন মনে আঘাত লাগে এবং সে যদি সেই কষ্ট কে শক্তি কে রুপান্তর করতে পারে তাহলে একজন ডঃ রাজু আহমেদ নয় হাজারো রাজু সম্ভব।মায়ের মৃত্যুর পর রাজু কলেজে আবার ভর্তি হল তার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ শেষ অবস্থান তো আপনাদের জানাই।রাজু তখন বললঃ
হাটিয়াছি দুজন দুক্রোশ পথ
তাহা হাইয়াছে গত,
ভুলিয়াছ তুমি মোরে
মোর সংকটে আমি
নহে তোমারে।
বিপদ কখন কাহর আসে
বুঋিবার নাহি উপায়
আমার বিপদে তুমি না থাকিলেও
আমি তোমার বিপদের সহায়।
ডাক্তার আমি মানবতার সেবক
সেবাই আমার ধর্ম।
সেবাই ধর্ম, সেবাই কর্ম। করোনার এই দুর্দিনে যেসকল ডাক্তাররা নিজের জীবনে মায়া ছেড়ে মানুষের সহযোগিতায় অগ্রসর তাদের প্রতি নীরব শ্রদ্ধা।
Who am I?
My nme is Faysal. I am citizen of Bangladesh . I am aslo a photographer . I love travelers very much and love to serve them.Anyone can contact me
you can contact me on discord user nme @faysal72#4722