বিজয়ের রঙে রঙিন ক্যাম্পাস ।

Words
228
Reading
2 min
Listen
Play
5y

রাত পোহালেই ১৬ ই ডিসেম্বর, বাংলার বিজয় দিবস। বাঙ্গালীদের খুশির দিনগুলোর মধ্যে বিজয় দিবস অন্যতম, কারন এই দিনেই বাঙালি অর্জন করেছিলো কাক্ষিত জয়। পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয়মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ডিসেম্বর মাসের এই ১৬ তারিখে বেজে উঠেছিল বিজয়ের গান, এসেছিলো খুশির জোয়ার। যে বিজয় ছিলো ৩০ লক্ষ মানুষের রক্তের দাম, ছিলো হাজারো সন্তানহারা মায়ের প্রতিদান।

২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা হওয়ার পর থেকে দীর্ঘ এই নয় মাসে অনেক মা হারিয়েছে তার সন্তান, ছেলে হারিয়েছে তার বাবা, বোন হারিয়েছে তার ভাই। দেশের লাখো লাখো মা-বোনেরা হয়েছে নির্যাতিত। কিন্তু বাংলার দামাল ছেলেরা হাল ছেড়ে দেয়নি। অস্ত্রসস্ত্র ছাড়াই রুখে দাড়িয়েছিলো পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে। একের পর এক দুঃসাহসিক আক্রমনে ভেঙ্গে দিয়েছে পাকিস্তানিদের মেরুদন্ড। অনেক বীর যোদ্ধা হারিয়েছে প্রান, আবার কেউবা বরন করেছে পঙ্গুত্ব । তারপরেও তারা বিন্দু মাত্র পিছু হটেনি।।

শেষ পর্যন্ত, বাঙ্গালীর দামাল ছেলেদের কাছে হার মানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীরা। ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি শাসকেরা। দীর্ঘ নয়মাস ব্যপি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর তৈরি হয় এক স্বাধিন বাংলার, অবসান ঘটে দাসত্বের,,,!

এই স্বাধিনতাকে বরন করে নিতে বর্ণিল সাজে সেজেছে আমার বিশ্ববিদ্যাল প্রাঙ্গণ। সাজানো হয়েছে প্রত্যেকটি উচু ভবন, রাস্তায় রাস্তায় আকানো হয়েছে রং-বেরঙের আলপনা। কাল সারাদিন ব্যপি আয়োজন করা হয়েছে একের পর এক অনুষ্ঠান। থাকবে, সকল বিজয় বীরদের শ্রদ্ধায় র‍্যালি সহ রয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যেখানে তুলে ধরা হবে বিজয়ের দিনগুলোর কথা, যাতে নতুন প্রজন্ম জানতে পারে এই মহান আত্মত্যাগের রূপকথা

image.png

image.png

image.png

image.png

image.png

image.png

image.png

image.png

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা 💕💕💕।