শিকরের টানে প্রিয় ক্যাম্পাসটাতে ফিরে আশা, যেখানে মিশে আছে হাজারো সুখকর স্মৃতি। দীর্ঘ চার বছর এই ক্যাম্পাসটাতে বিচরন। এই ক্যাম্পাসটার প্রতিটি ক্লাসরুম আমার এক একটি পদচারনার সাক্ষি!
হঠাৎ করে ক্যাম্পাসে আশার পরিকল্পনা। রবিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকাতে ব্যাগ গুছিয়ে আগেভাগেই প্রস্তুতি নেওয়া। অফিস ছুটি হতেই ব্যাগ হাতে বেরিয়ে পড়লাম ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে। তারপর টঙ্গী রেলস্টেশন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বাসে করেই যাত্রা শুরু! একঘন্টার জার্নি শেষে বাস পৌছে যায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।
রাত হয়ে যাওয়াতে সেদিন আর ক্যাম্পাসে ঘুরা হয়ে ওঠেনি। সেই রাত কাটে বন্ধুদের সাথে আড্ডায়। বহুদিন পর একসাথে আমরা। তাই কথায় আড্ডা আর শেষ হতে চায়না।
পরদিন বিকেলে আমরা তিন বন্ধু বেরিয়ে পরে ক্যাম্পাসটাতে কিছু ভালো মুহূর্ত অতিবাহিত করতে।
এই হলো ক্যাম্পাসের মূল ফটক। প্রধান গেইটের পাশাপাশি এটি এডমিশন অফিস নামে পরিচিত। ভর্তি বিষয়ক সকল কাজ এখানেই করা হয়ে থাকে।
ক্যাম্পাসের প্রধান বিল্ডিং Ab-4 সাথে বিশাল খেলার মাঠ। ১৪ তলা বিশিষ্ট এই বিল্ডিয়েই সবচাইতে বেশি ক্লাস হয়ে থাকে। সাথে বিশাল খেলার মাঠে সারাদিনই ছাত্ররা ফুটবল ক্রিকেট খেলায় ব্যস্ত থাকে। একটা সময় আমিও নিয়মিত এখানে খেলতে আসতাম।
ক্যাম্পাসের সবচাইতে পরিচিত জায়গা। ক্লাস শেষে এখানেই বসেই সারাদিন আড্ডা দেওয়া হতো আমাদের। কতো স্মৃতি রয়েছে এই জাগয়াগুলোকে নিয়ে যা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব!
মনে রাখার মতো একটি বিকেল ছিলো ক্যাম্পাটাতে। দীর্ঘদিন পর বন্ধুদের সাথে প্রিয় ক্যাম্পাসটাতে ভালো কিছু সময় কাটাতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান বোধ করছি 😊