" স্বপ্নপূরণ "

Words
270
Reading
2 min
Listen
Play
5y

image.png

ছোটবেলা থেকেই প্রানীদের প্রতি আমার খুব মায়া কাজ করে। তাদের প্রতি আলাদা একটা আকর্ষণ অনুভব করি আমি । সেই হিসাবে আমাকে প্রানিপ্রেমী ও বলা যেতে পারে৷ অবুঝ এই প্রনীদের সাথে কিছুটা সময় কাটাতে আমার খুব ভালো লাগে। তাদের নিষ্পাপ চাহনি আমাকে আবেগি করে তোলে৷ অবুঝ এই প্রানীদের মধ্যে আমার সবচাইতে পছন্দের ছিলো পাখি। আমার পাশের বাসার এক ভাই পাখি লালন-পালন করতো৷ সেই থেকে আমার পাখির প্রতি আলাদা ভালোবাসা তৈরি হয়েছে৷ আমার ছোটবেলা থেকেই খুব ইচ্ছা ছিলো আমিও একদিন পাখি পালবো। কিন্তু পারিবারিক অবস্থা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধার অভাবে ছোটবেলায় তা কখোনও হয়ে উঠেনি।

২০১৯ এর দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই আমি উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য। সেখানে ক্যম্পাসের পাশেই একটি বাসা নেই থাকার উদ্দেশ্যে । বাসায় প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থাকায় আমি আমার ইচ্ছে পূরন করার সুযোগ পেয়ে জাই। আমার পরিবার থেকে অনুমতি নিয়ে আমি আর আমার বন্ধু একদিন বেরিয়ে পরি পাখি কিনার উদ্দেশ্যে। আমরা পাখি কিনার জন্য আমাদের ক্যাম্পাসের কাছে আশুলিয়ায় পাখির দোকানে যাই। পাখির দোকান-গুলোতে দেশি - বিদেশি পাখি দেখে আমি অনেক অবাক হই। আল্লাহর সৃষ্টি কতোই না সুন্দর।

পাখিগুলোর মধ্যে থেকে আমি কাকাতুয়া (কোকাডাইল) পাখি পছন্দ করি লালন-পালন করার উদ্দেশ্যে। দশ হাজার টাকার বিনিময়ে আমি একজোড়া পাখি কিনে নিয়ে আসি। পাখিগুলো দেখতে খুবই সুন্দর ছিলো। সবচাইতে ভালো দিক হলো পাখিগুলো ছিলো পোষ মানানো। বাসার বারান্দায় পাখিগুলো থাকার জন্য খাচার ব্যবস্থা করি আমি। পাখি দুটোর জন্য বিভিন্ন প্রকার খাবার নিয়ে আসি বাজার থেকে ৷

পাখিগুলোর সাথে খুব ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়ে গেছে এখন আমার। প্রায় প্রতিদিনই পাখিগুলোর সাথে আমার সময় কাটানো হয়। পাখিগুলো আমার কাধে বসে থাকতে খুব পছন্দ করে। সারাদিনই ওরা খাচার বাইরে থাকতে চায়৷ খুব অল্পদিনেই পাখিগুলোর প্রতি আমার ভালোবাসা বহুগুনে বেড়ে গেছে।

ছোটবেলার ইচ্ছাটাকে পূরন করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।

image.png

image.png

image.png

" স্বপ্নপূরণ " | Ecency