রাতে খাইতে গিয়া দেখি ইলিশ মাছের দো'পেয়াজা।মন হালকা চিলিক দিয়া উঠল,আহারে বহুদিন মাছের মাথা খাইনা।আবেগে আম্মার কথা মনে পড়তেই ব্যাকগ্রাউন্ড এ করুণ সুর বাজতে আরম্ভ করল।সেই করুণ সুর আর আম্মার স্মৃতি নিয়া আবেগে,খুশিতে গদগদ হইয়া মাছের মাথাখানা প্লেটে তুইলা নিলাম।মাছের মাথা খাইতে পারিনা কাঁটার ভয়ে তবুও কি বুইঝা জানি আজকে নিয়া নিলাম।রুমে আইসা সেই মজা করে খাওয়ার ধান্ধায় মাছে হাত দিলাম।প্রথম ঠেলায় হাতে মাছের সাথে গোটা বিশেক কাঁটা আসল।আহারে এইডা তো ইলিশ মাছ,আবেগে ভুইলা গেসিলাম।কাঁটাই খাইতে হইব আজকে।আবেগ চইলা গেল,ব্রেইনের পুরা শক্তি আর চোখের জোর মাছের উপর পড়ল।খাওয়া বাদ দিয়া কাঁটা বাঁচতে নাইমা গেলাম,এই যুদ্ধে আমারে জিততেই হইবে আম্মা।একে একে সৈন্য ধ্বংস করতেছি আর লোকমা গিলতেছি।এর মধ্যেই কয়েকটা দুষ্টু সৈন্য(কাঁটা) ঝোঁপ বুঝে কোঁপ মারার কইরা দাঁতের চিপায় চাপায় ঢুইকা গেল।এদিকে আমার বদমেজাজি জিহবা মিয়া খাবারের স্বাদ নেওয়া বাদ দিয়া কাঁটা ধ্বংসে নাইমা গেল।খাওয়ার অবস্থা খুবই করুণ।কোন মতে শেষ করলাম।কিন্তু দাঁতের চিপার লুকায়া থাকা দুষ্টু কাঁটা আর জিহ্বার যুদ্ধ থামার নাম নাই।মনেমনে আম্মারে ডাইকা বললাম,মাগো তোমার ছেলে শেষ।মাছের মাথা খাওয়া তার ভোগে চইলা গেছে গো মা।।।