আয়াতুল কুরসী পড়ার ফযিলত:-
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রত্যেক
ফরয নামায শেষে আয়াতুল কুরসী পাঠ করে তার জন্য জান্নাতে প্রবেশ করার জন্য মৃত্যু ছাড়া আর কোন বাধা থাকে না”।
[সুনানে আন-নাসায়ীঃ ১০০, ইবনে সুন্নীঃ ১২১, শায়খ
আলবানীর মতে সহীহ, সিলসিলা আস-সহীহাহঃ
২/৬৯৭।]
#রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি সকালে
আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে তাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত
জিনদের থেকে রক্ষা করা হবে আর, যে সন্ধ্যায়
পাঠ করবে তাকে সকাল পর্যন্ত রক্ষা করা হবে”।
[সহীহ তারগীব ওয়াত-তারতীবঃ হা/৬৬২।]
#“আয়াতুল কুরসী শয়নকালে পাঠ করলে সকাল
পর্যন্ত তার হেফাযতের জন্য একজন ফেরেশতা
পাহারায় নিযুক্ত থাকে। যাতে শয়তান তার নিকটবর্তী হতে না পারে”।
[সহীহ বুখারীঃ ২৩২১।]
আয়াতুল কুরসীঃ
ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺍﻟﺮﺣﻴﻢ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻲُّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡُ ﻟَﺎ ﺗَﺄْﺧُﺬُﻩُ ﺳِﻨَﺔٌ ﻭَﻟَﺎ ﻧَﻮْﻡٌ ﻟَﻪُ
ﻣَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﻭَﺍﺕِ ﻭَﻣَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟْﺄَﺭْﺽِ ﻣَﻦْ ﺫَﺍ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻳَﺸْﻔَﻊُ
ﻋِﻨْﺪَﻩُ ﺇِﻟَّﺎ ﺑِﺈِﺫْﻧِﻪِ ﻳَﻌْﻠَﻢُ ﻣَﺎ ﺑَﻴْﻦَ ﺃَﻳْﺪِﻳﻬِﻢْ ﻭَﻣَﺎ ﺧَﻠْﻔَﻬُﻢْ ﻭَﻟَﺎ
ﻳُﺤِﻴﻄُﻮﻥَ ﺑِﺸَﻲْﺀٍ ﻣِﻦْ ﻋِﻠْﻤِﻪِ ﺇِﻟَّﺎ ﺑِﻤَﺎ ﺷَﺎﺀَ ﻭَﺳِﻊَ ﻛُﺮْﺳِﻴُّﻪُ
ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﻭَﺍﺕِ ﻭَﺍﻟْﺄَﺭْﺽَ ﻭَﻟَﺎ ﻳَﺌُﻮﺩُﻩُ ﺣِﻔْﻈُﻬُﻤَﺎ ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟْﻌَﻠِﻲُّ
ﺍﻟْﻌَﻈِﻴﻢُ
আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বাইয়ূম। লা
তা’খুযুহু সিনাতুঁ ওয়ালা নাঊম। লাহু মা ফিস্-সামা-ওয়াতি ওয়ামা
ফিল আরদ। মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইন্দাহু ইল্লা বি-
ইয্নিহি। ইয়া‘লামু মা বায়না আয়দীহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা
ইউহীতূনা বিশাইয়িম্-মিন ‘ইলমিহী ইল্লা বিমা-শা’-আ;
ওয়াসি‘আ কুরসি-ইয়ুহুস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ; ওয়ালা
ইয়াউদুহু হিফযুহুম, ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়ুল ‘আযীম,।সুরা
বাক্বারাহঃ ২৫৫।
অর্থঃ আল্লাহ! তিনি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। যিনি
চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক। কোন তন্দ্রা বা
নিদ্রা তাঁকে পাকড়াও করতে পারে না। আসমান ও
যমীনে যা কিছু আছে সবকিছু তাঁরই মালিকানাধীন।
তাঁর হুকুম ব্যতীত এমন কে আছে যে তাঁর
নিকটে সুফারিশ করতে পারে? তাদের সম্মুখে ও
পিছনে যা কিছু আছে সবকিছুই তিনি জানেন। তাঁর
জ্ঞানসমুদ্র হতে তারা কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না,
কেবল যতুটুকু তিনি দিতে ইচ্ছা করেন। তাঁর কুরসী
সমগ্র আসমান ও যমীন পরিবেষ্টন করে আছে।
আর সেগুলির তত্ত্বাবধান তাঁকে মোটেই শ্রান্ত
করে না। তিনি সর্বোচ্চ ও মহান।