টাইফা নামক গ্রহ মহাবিশ্ব থেকে বিলীন হয়ে গেছে হঠাৎ করে। এ নিয়ে পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন, পৃথিবীর মানুষেরা আশাহত। এর মধ্যে বিজ্ঞানী মাথুরের কাছে হাজারো বছরের পুরানো একটা বই নিয়ে আসে একটা মেয়ে, স্বয়ং গণিতবিদ ফিহা যাকে পাঠিয়েছেন। কেউ গ্রহগুলাকে ত্রিমাত্রিক থেকে চতুর্মাত্রিক ফর্মে নিয়ে যাচ্ছে। তারপর কিভাবে রক্ষা পেল পৃথিবী তা পাওয়া যাবে হুমায়ূন আহমেদের
তোমাদেরজন্যভালবাসা বইয়ে।
৩. রিফরম ক্লাবের সদস্যদের সাথে এক অদ্ভুত বাজি ধরে ফেললেন ফিলিয়াস ফগ। তিনি নাকি আশি দিনে পুরা পৃথিবী একবার ঘুরে আসবেন। যেই বলা সেই কাজ, সেদিনই চাকর পাসোপারতুকে নিয়ে লন্ডন শহর ছেড়ে বেরিয়ে পড়লেন তিনি। তারপর অনেক বাধা বিপত্তি, চড়াই উতরাই পেরিয়ে পুরা পৃথিবী ঘুরে আশি দিনে তিনি লন্ডন পৌছাতে পারছিলেন কি না তা জানা যাবে জুল ভারনের এর
এরাউন্ডদ্যাওয়ার্ল্ডইনএইটি_ডেইজ বইটিতে।
৪. কেমন ছিল আগেকার সময়ের যুদ্ধবিদ্যা? দেয়ালঘেরা নগর দুর্গ নগরীর জন্য আক্রমণের পদ্ধতির সাথে অন্য নগরীর সাথে আক্রমণের সময় কি ভিন্নতা, পাহাড়ের কাছে থাকলে কি স্ট্রেটেজি, বাতাস অনুকুলে থাকলে কিভাবে যুদ্ধ করতে হবে, ডান দিক না বাম দিক থেকে আক্রমণ করতে হবে, খৃষ্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতেই এর অত্যান্ত চমৎকার ভাবে বর্ণনা করে গেছেন চীনা সমরবিদ সান জু। আশ্চর্যের বিষয় হল সান জু এর এই বই এখনও অনেক দেশে সেনাদের জন্য অবশ্যপাঠ্য এবং বর্তমানের ছাঁচে একে ছেকে ফেলে দেওয়া সম্ভব হয়নি। হ্যা আমি