বেশ কয়দিন ধরে লিখব লিখব করছি। কিন্তু কবিতাটা মোটেই বাগে আসছিল না। আজ মনে হল লিখি। কিন্তু কি লিখব? কথার গাথুনিতে কবিতার মালা, সেকি সহজ কথা। তবে কানে কানে একটা গোপন কথা বলি। আমি সবসময় কবিতা লিখতে পারি না। যখন প্রকৃতিচারী সন্যাসীটা আমার উপরে ভর করে, কেবল তখন আমি কবিতায় অবগাহন করি।
আজও সে সন্যাসীটা আমায় দেখাল, ভাবাল এক অচেনা নায়কের উপলব্ধির ক্ষন। সে কথাই বলতে এসেছি আজ।
সে এক এক বিদ্রোহী যোদ্ধার কথা। না প্রেমিক না বিদ্রোহী সেই দোলচাল থেকে সেই যোদ্ধা বেছে নিয়েছিল সংগ্রামের পথ। ভালোবাসার মানুষকে দূরে ফেলে এলেও সে তাকে প্রতিনিয়তই স্মরণ করে।
বিদ্রোহীর সংগ্রামও যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে তার মনের মানুষটির সাথে। । মুক্তির দ্রোহে যেন তাদের প্রেম এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। জানিনা কতটুকু প্রকাশ করতে পেরেছি। এ ভাব পুরোপুরি প্রকাশ করা আমার সপ্নাতীত। বাকিটা আপনাদের হাতেই ছেড়ে দিলাম। আপনার মূল্যবান মন্তব্য আশা করছি। অগ্রিম ধন্যবাদ।
তবে দেখা যাক....
দ্রোহ আর প্রেমের স্তুতি
তুমি
ওই আবিরের রঙে লাল
পাতায় ছড়ানো নীলের প্রান।
তোমার তিমিরে বিরহে
কেমন খুনসুটির আকাল।
আমি
বেদনার রঙে মিশাই আগুন
দ্রোহ আর মিছিলের বিশালতায়।
তুমি আর তোমার সৃতিরা তাই
আজ যেন সাদাকালো ফাগুন।
তোমার
চিঠিটা এসেছে জেনেছি
কুশল সবি; সাথে তোমার উদ্বেগ।
এই দ্রোহ সমরে তাকে শুধু
ভালোবাসা মায়া টান মেনেছি।
আমার
তবু মন করে কেমন
তৃপ্ত চোখে দেখব তোমায়।
সেই বাঞ্চা সাধ ছেড়েছি
এই দ্রোহেই চলেছি ভ্রমণ।
ওরা
মানুষের মুক্তির শ্বাসরোধে মত্ত
কত খেতের ফসল, সোনার ছেলে।
সংরক্ষিত ধারা লঙ্ঘণ আজ
যেন দিবালোক সম নিখাদ সত্য।
আমরা
তাই বসে থাকতে পারিনি
ওদের না তাড়িয়ে আর মুক্তি নেই।
তোমার ভালোবাসাও যেনো রুদ্ধ
এই বন যেন বিদ্রোহী রণকাহিনি।
যেখানেই
ওরা বেয়াড়া হবে রোজ
কেড়ে নেবে সহায় বোধ।
দখলে বে-দখলে নেবে সপ্ন
ভিটেমাটি মানচিত্র ভরপেট-ভোজ।
সেখানেই
পাবে আমার দেখা
শত ভিড়েও দাঁড়িয়ে সন্মুখ রেখায়।
জানি বুঝবে এটাও প্রেম
এটাও মানবতা ভালোবাসা শেখা।
জুলাই ১৯, ২০২১