গ্রিটিংস বন্ধুগণ!
আশাকরছি সব্বাই ভালো আছেন। আজ বলব বাংলা প্রবাদ প্রবচন নিয়ে। প্রবাদ এবং বাগধারা ভাষাকে সমৃদ্ধ করে। এদের নিহিতার্থ বুঝা আর কমিউনিকেশনে এগুলোর ব্যবহার চমৎকারভাবে ব্যাবহারকারীর ভাষার দখল বাড়ায় এবং ইফেক্টিভ কমিউনিকেশনে খুবই সাহায্য করে।
তাই মজার এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাংলা প্রবাদ নিয়ে এই লেখা। বোধকরি পড়ে মজা পাবেন।
ধন্যবাদান্তে
@Chrysanthemum
আসলে মুষল নেই ঢেঁকি ঘরে চাঁদোয়া!
যে কোন কাজ করার আগে সাতপাঁচ ভেবে নেওয়ার বিকল্প নাই। অযথা অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় নষ্ট করা আমাদের এক অনন্য অভ্যাস। কাজের গুরুত্ব অনুধাবন এবং সে অনুযায়ী প্রায়োরিটি বেজড একশন নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
উপ্রের প্রবাদটিকে বিশ্লেষণ করলে এ ব্যাপারে সম্যক ধারনা লাভ করা যায়। এখানে 'আসলে' 'মুষল' থাকা, কাজের গুরুত্ব অনুযায়ী সবচেয়ে দরকারী কাজটি র প্রতি গুরুত্তারোপ অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। আর 'ঢেঁকির ঘরে চাঁদোয়া' বলতে গুরুত্বের বিচারে অপ্রয়োজনীয় কাজকে বুঝানো হয়েছে। তাই একথা স্পষ্ট যে, ঘোড়ারোগ থাকলে মানুষ যেমন অবিবেচকের মত কাজ করে তেমনি কোন কাজটা আগে করা উচিৎ তার দোলচালে পড়ে আমরা অনেক সময় হিতাহিতজ্ঞানশুন্য হয়ে যাই।
তাই বলতে চাই নিজের কাজগুলো নিয়ে একটু হলেও ভেবে নেবার সময় কখনো ফুরিয়ে যায় না। কোন কাজটা আগে করব বা করা উচিৎ তার সিদ্ধান্ত যেমনি আমাকেই নিতে হবে এবং সেই সিদ্ধান্ত আপ্লাইও করতে হবে আমাকেই। তবে এর জন্য আগে থেকেই একটু সচেতন থাকলে লাভ বই ক্ষতি নাই।
আবিরাম ছুটে চলা এই জীবন নদীর স্রোতের তোড়ে যেন আমরাও ছুটে চলেছি। পদে পদে আছে এর বাকঁ আর ঢেউয়ের তোড়। ক্ষনে ক্ষনে নিতে হয় নতুন সিদ্ধান্ত, ক্ষনেই হয়ত বদলে যায় আগেরটা। ক্ষুদ্র মানুষের পক্ষে এই ধাঁধা সলভ করা দুঃসাধ্য। তবে একটু সচেতন ভাবে নিজের কাজের প্রতি যত্নশীল হলে আনেক কাজেই অনর্থক ঝামেলা থেকে নিজেকে বিরত রাখা যায়। আর সফলতার নিশ্চয়তার কথা কে-ইবা বলতে পারে।
তবে কাজ করে যেতে হবে। বিশ্বাস রাখতে হবে, পরিশ্রমের সবসময়ই মুল্য আছে। আগে হোক আথবা পরে, এর সুফল পাবেন নিশ্চিতভাবে।
থাক আর কথা আর না বাড়াই।
এখানেই থামি তবে....