আন্দোলন সফল হওয়ার পথে। সড়ক পরিবহন আইন(প্রস্তাবিত)

Words
336
Reading
2 min
Listen
Play
8y

এক বছর ঝুলে থাকার পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে অবশেষে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আঁচছে মন্ত্রিসভায় তোলা হচ্ছে নতুন সড়ক পরিবহন আইন। নতুন এ আইনে দুর্ঘটনার জন্য দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে গাড়ি দিয়ে মানুষ হত্যা করলে ৩০২ ধারা অনুযায়ী শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড। আর আহত হলে ৩০৪ ধারা অনুযায়ী শাস্তি হবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আর বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে মৃত্যু ঘটালে শাস্তি হবে তিন বছরের কারাদণ্ড। এছাড়া গাড়ি পাল্লা দিয়ে দুর্ঘটনা ঘটালে ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ২৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আর দুর্ঘনায় না পরলেও বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর জন্য আইনের সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা দুই লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। আর গাড়ির ফিটনেস না থাকলে এক বৎসরের জেল অথবা ১ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। নতুন এই ধারায় মোটরযানের মালিককেও এর আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া পেশাদার ও অপেশাদার উভয় চালকদের ক্ষেত্রেই শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে চালকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ধরা হয়েছে কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি এবং চালকের সহকারির শিক্ষাগত যোগ্যতা ধরা হয়েছে পঞ্চম শ্রেনী এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা প্রয়োজন। আর এটির ব্যর্থ হলে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড। পাশাপাশি এক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি বিশেষ পয়েন্ট যুক্ত করা হয়েছে। চালকদের বিভিন্ন অপরাধে এই পয়েন্ট গুলো কমতে থাকবে এবং এক সময় পয়েন্ট শুন্য হয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে যেমন মোটরযানের গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ না করলে ১ পয়েন্ট কাটা যাবে। এছাড়া নতুন আইনে মোটরযানের চলাচলে সাধারণ নির্দেশাবলী নামে একটি বিশেষ নির্দেশনা যুক্ত করা হয়েছে। যেখানে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হয়েছে নেশাজাতীয় দ্রব্য খেয়ে গাড়ি চালানো, চালকের সহকারি দিয়ে গাড়ি চালানো, মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে গাড়ি চালানো, নারী শিশু প্রতিবন্ধী এবং বয়োজ্যেষ্ঠ যাত্রীর জন্য সংরক্ষিত আসনে অন্য যাত্রী বসানো, উল্টোপথে গাড়ি চালানো এবং ফুটপাতের উপর দিয়ে গাড়ি চালানো ক্ষেত্রে এক থেকে তিন মাসের কারাদণ্ড সাথে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। খসড়া এই আইনটি গত বছরই নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনটির চুড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে। এরপর পাসের জন্য তোলা হবে জাতীয় সংসদে।ministry of bangladesh123.jpg

আন্দোলন সফল হওয়ার পথে। সড়ক পরিবহন আইন(প্রস্তাবিত) | Ecency