Croatia go to final beating England

almajan(37)
Published in
#sport
Words
282
Reading
2 min
Listen
Play
8y

বিশ্বকাপ থেকে সব সুপার পাওয়ার ব্রাজিল, জার্মানি, আর্জেন্টিনা ও স্পেন বিদায় নিয়েছে। কিন্তু রয়ে গেছে ৪০ লাখ মানুষের দেশ ক্রোয়েশিয়া। তাদের সামনে এখন শুধু ফ্রান্স। সেখানে তারা যদি ফ্রান্সকে পরাজিত করে বিজয়ী হয় তাহলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে তা সবচেয়ে বড় এক ইতিহাস হয়ে থাকবে। তারা ফাইনালে উঠে এসেছে কঠিন এক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। এ যাত্রায় তারা নাটকীয় কিছু ধাপ পাড় করেছে। ডেনমার্কের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময় খেলেছে এবং পেনাল্টিতে জিতেছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময় খেলেছে এবং শেষে পেনাল্টিতে জিতেছে। আর এখন শ্বাসরুদ্ধকর এক অবস্থার অবসান হলো। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১২০ মিনিট খেলেছেন তারা। বিশ্বকাপে এমন ঘটনা একটি মহাকাব্যের মতো মনে হতে পারে। আগের দুটি রাউন্ডে যেভাবে পরাজয়ের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করেছে, ঠিক সেইরকমভাবে ক্রোয়েশিয়া নিজেদের পুনরুদ্ধার করেছে। ইংলিশ খেলোয়াড় কিয়েরেন ট্রিপিয়ার ক্রোয়েশিয়ার জালে বল পাঠিয়ে উৎসবে মেতে ওঠেন। কিন্তু ক্রোয়েট খেলোয়াড় ইভান পেরিসিক অসাধারণভাবে খেলার দ্বিতীয়ার্ধে তা শোধ করে নিজের দেশকে সামনে নিয়ে আসেন। এর ফলে মধ্য মাঠের খেলোয়াড় লুকা মদরিচ ও ইভান রাকিটিসকে অনেক বেশি দায়িত্ব নিতে এক রকম চাপ সৃষ্টি করে। তাদের জয়ের অনেকটা সুযোগ এসেছিল। দৃশ্যত তারা বেশ কতগুলো সুযোগ হাতছাড়া করেছে। পেরিসিক পোস্টে হিট করেন। কিন্তু তা মিস হয়। এটি গোল হলে অন্যরকম হতো খেলা। তাকে থামিয়ে দেন ইংলিশ গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড। তাকে বলা হয় ইংল্যান্ডের ব্যতিক্রমী গোলকিপার।
ঘড়ির কাঁটা টিক টিক করতে থাকে। সময় যায়। আবারও পেনাল্টি, আরো পেনাল্টিতে ভাগ্য নির্ধারণ হবে! ঠিক তখন প্রায় ১১০ নম্বর মিনিটে ঘটনাটি ঘটিয়ে দেন মারিও মানজুকিচ। দ্বিতীয় গোল প্রবেশ করে ইংল্যান্ডের জালে। চুপ হয়ে যায় ইংল্যান্ড। আর বয়সী এই যোদ্ধা যেন জ্বলে ওঠেন। সব দৃশ্যপট যেন তার ওপর রচনা হয়। তিনি দেশকে জিতিয়ে নেন। বয়সের কারণে তাকে দেখে মনে হচ্ছিল নিজেকে খুব কষ্টে টেনি নিচ্ছেন খেলায়। নিজেকে টেনে নিয়ে যান মাঠের কর্নারে। সেখানে লাল-সাদায় রঙিন উত্তাল ক্রোয়েট ভক্তদের সামনে নিজেকে মেলে ধরেন।

Croatia go to final beating England | Ecency