সততার দাম আজকে যন্ত্রণাদায়ক তবুও লড়াই জারি থাকুক

image.png
Image
এই দুর্নীতি ও আপসের সমাজে ও কেউ কেউ এমন আছেন যারা সৎ এবং কর্তব্য এর প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ।আইন ভঙ্গকারী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন সে কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না।এইরকম ও কেউ আছে শুনতে অবাকই লাগছে।অবাক লাগলেও এটি অকাট্য সত্যি ।গত বছর গুজরাতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা তারই স্বাক্ষী দেয়।

বিশ্বজুড়ে করোনার প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে।সব দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবা ভেঙে পড়ছেই প্রচুর সংখ্যক রোগীর চাপে।ফলত অনেক রোগী শুধু নূন্যতম চিকিৎসার অভাবে বিনা লড়াই এ মারা যাচ্ছে।ভারতের পরিস্থিতি ও খুব সংকট জনক।দিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা যে ভাবে বাড়ছে তাতে করে সামনে খুবই সংকটময় পরিস্থিতি আসছে।এই নিরাশা ও হতাশাজনক পরিস্থিতিতে গুজরাতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা সারা দেশকে আন্দোলিত ও অভিভূত করেছে।গুজরাতের এক সামান্য পুলিশ কনস্টেবল কর্তব্যের প্রতি যে শ্রদ্ধা ও নিষ্ঠা দেখিয়ে তা সত্যিই আজকের সমাজে বিরল।করোনার মোকাবেলায় সারা গুজরাট জুড়ে কারফিউ ও lockdown চলছিল।তখন এই কনস্টেবল একটি রোডের চেকপোস্ট এ কর্তব্যরত ছিল।এমন সময় একটি গাড়ি সেটা অতিক্রম করতে থাকে।ওই কনস্টেবল গাড়ি টি আটকায় এবং কেন এই কারফিউ এর মধ্যে গাড়ি বের করেছে তার জবাবদিহিতা চাই।তাতেই ক্ষুব্ধ হয় গাড়ির চালক ,সে নিজেকে মন্ত্রীর ছেলে বলে পরিচয় দেয়।এবং তার গাড়ি আটকানোর জন্য পরবর্তীতে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকিও দেয়।

কিন্তু ওই কর্তব্যনিষ্ঠ কনস্টেবল একটুও কুন্ঠিত হয় না বরং সে নিজেকে করো গোলাম নয় বলে পরিচয় দেয়।সে দেশের সেবিকা জনগণের সেবিকা এটা সে জানাই।সেই মহিলা কনস্টেবল এর নাম সুনীতা যাদব।এবং সে ওই মন্ত্রীর ছেলেকে আইন ভঙ্গ করার জন্য গ্রেফতার ও করে।পরে অবশ্য মন্ত্রীর ছেলে জামিনে ছাড়া পায়।

কিন্তু কনস্টেবল এর এই সততার পুরস্কার বা পরিণতি যে সুখকর নয় সেটা জানাই ছিল।এই দুর্নীতির সমাজে সেটাই স্বাভাবিক।এই lockdown এর মধ্যে তাকে অন্যত্র ট্রান্সফার করা হয়েছে ।এখন সে ছুটিতে আছে।

এই বিরল অথচ স্বাভাবিক গুণ টি আমাদের আদর্শ ।আমরা এটা নিয়েই বড় বড় কথা বলি।অথচ কেউ সেই সাহসিকতা দেখালে তাকে পেতে হয় যন্ত্রণা আর অপমান।

হায়রে সমাজ হায়রে গণতান্ত্রিক ব্যাবস্থা।

image.png
Image

H2
H3
H4
3 columns
2 columns
1 column
2 Comments